বিজেপি সদস্য বা বিজেপি আদর্শের অনুসারী স্বচ্ছ ভাবমূর্তিসম্পূর্ণ, উচ্চশিক্ষিত , সমাজসেবী অনেকেই রয়েছেন শিলচরে ; বিধানসভায় তাঁদের কেউ দলীয় মনোনয়ন পেয়ে জয়ী হলে যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব সামলাতে পারেন।কিন্তু ,দেখা গিয়েছে ; বিজেপি শিলচরে এ ধরনের প্রার্থীকে গুরুত্ব দিতে চায় না।অধ্যাপক পার্থসারথি চন্দ ,যিনি পরে গুরুচরণ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ছিলেন ;দীর্ঘদিন বিজেপির জন্য নিবেদিতপ্রাণ থাকলেও ,শিলচরে তাঁকে মনোনয়ন বঞ্চিত করা হয়েছিল।অকৃতদার জনপ্রিয় এই ব্যক্তিত্ব ইতিমধ্যে প্রয়াত।শুধু পার্থসারথি চন্দ নন ,বিজেপির প্রতি নিষ্ঠাবান আরও অনেকেই রয়েছেন ;যাঁরা দলকে দিয়েই গিয়েছেন ,পাননি কিছুই।মনোনয়ন প্রদানে দলের এই দৃষ্টিভঙ্গির জন্য শিলচরে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব উঠে আসেনি।আর এ জন্যেই হয়তো প্রথম বার জয়ী লক্ষ্মীপুরের বিধায়ক কৌশিক রায় অনায়াসে হিমন্তবিশ্ব শর্মা মন্ত্রিসভায় স্থান পেলেও শিলচরের বিধায়ক দীপায়ন চক্রবর্তীর নাম বিবেচনায়ও আসেনি।এ ভাবেই শাসক দলের নীল নকশায় শিলচর বিধানসভা কেন্দ্র গুরুত্বের দিক থেকে তলানিতে চলে যাচ্ছে।এ কারণেই ‘বিশ বাঁও জলে’ শিলচরের পুর নির্বাচন। এ দিকে ,প্রথম বার রাজ্যসভা সাংসদ পবিত্র মার্গেরিটাকে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে প্রথমবারের সাংসদ, সংসদীয় রীতিনীতি সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল শিলচরের কণাদ পুরকায়স্থকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় নেওয়া যায়,বিজেপির ভাবনায় এটা রয়েছে কি ? এর জবাব সময়ই দেবে। বিশ্লেষণে “নিউজটিউজ বাংলাক্রম লাইভ” সম্পাদক শংকর দে।
‘এলিভেটেড ফ্লাইওভার!’ একরাশ নিরাশার মধ্যে যেন আশার আলো।কিন্তু, একটি উড়ালসেতু প্রকল্পের ঘোষণা বা বাস্তবায়ন কি পারবে নগররবাসীর মনঃকষ্ট লাঘব করতে ? প্রশাসন , বাণিজ্য, সামরিক কৌশল ; সব দিক থেকেই ব্রিটিশ ভারতে উত্তর পূর্বাঞ্চলের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র , শীর্ষ শহর ছিল শিলচর। ঐতিহ্যবাহী এই শিলচর শহর কি চরম উপেক্ষার শিকার? একই সঙ্গে শিলচর বিধানসভা কেন্দ্রের গুরুত্ব কি হ্রাস পাচ্ছে ক্রমশ? এ ধরনের অসংখ্য প্রশ্ন কুরে কুরে খাচ্ছে নাগরিক জীবনকে। দল-মত নির্বিশেষে এমন কথা অহরহ শোনা যাচ্ছে মানুষের মুখে মুখে।
বহুবিধ সমস্যায় জর্জরিত শিলচরবাসীর অসন্তোষ পুঞ্জীভূত বহু দিন ধরে। সাম্প্রতিক কালে রাজ্য-রাজনীতিতেও গুরুত্ব হারাচ্ছে শিলচর।আর এ কারণেই নির্বাচন না করে সাড়ে পাঁচ বছর ধরে শিলচর পুরসভার কর্তৃত্ব সরকারি আধিকারিকদের হাতে ন্যস্ত।এর ফলে এখানকার উন্নয়ন মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হয়েছে , এমনটা মনে করা হচ্ছে ।ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের পরিবর্তে তা দু’একজনের মধ্যে কুক্ষিগত করার লক্ষ্যই কি এত বছর ধরে প্রাধান্য পেয়েছে ? তাক করে আছে এ রকম অনেক প্রশ্ন।শহর শিলচর অতীতে বার বার’অভিভাবক ‘শূন্য হয়েছে।কিন্তু ,সব দিক থেকে এ ভাবে’কর্তৃত্বহীন’হয়নি, শোনা যায় এমন কথাও।শাসক দলের রাজনৈতিক সমীকরণের গেরোয় এত বছর ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছাড়াই শিলচর পুরসভার কাজকর্ম চালানো হচ্ছে।পুর বিধি অনুযায়ী,নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ব্যতীত সরকারি অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা রয়েছে।এর পরও এ ভাবে শিলচরে পুর নির্বাচন না করিয়ে কার , কী স্বার্থ পূরণ হচ্ছে ,সেটা সত্যিই অনুসন্ধানের বিষয়।শিলচর পুরসভায় এই সময়ে কোন খাতে, কী পরিমাণ অর্থ এসেছে ; তা স্পষ্ট নয়।পুর নিগমে উন্নীত হওয়ার পর শিলচরে নানা পরিকাঠামো গড়ে তুলতে এবং সামগ্রিক উন্নয়নে, বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের তরফে তহবিল বরাদ্দ হওয়ার কথা।নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছাড়াই অর্থ ব্যয় হবে কি না,এটাও একটা প্রশ্ন।
নেতৃত্বের দিক থেকে শিলচরকে ‘দুর্বল’ করার যোগসূত্রের সঙ্গে পুর নির্বাচনের বিষয়টি কোনও না কোনও ভাবে যুক্ত থাকতে পারে। পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন , বিজেপি মিত্রজোট ক্ষমতায় আসার পর থেকে শিলচরের নেতৃত্ব গৌণ হয়ে পড়ছে।জনবিন্যাসগত বিভিন্ন সমীকরণকে মাথায় রেখে বরাক উপত্যকার অন্য বিধানসভা কেন্দ্রের কোনও কোনও দলীয় নেতাকে দিশপুরের ক্ষমতার বলয় থেকে অহেতুক প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।আর এ সব বিষয়ের নিরিখেই শিলচর বিধানসভা কেন্দ্রে তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের দলীয় মনোনয়ন প্রদান করা হচ্ছে ।যেন এই বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে ,অসমের রাজনীতিতে শিলচর আগের মতো আর অপরিহার্য নয়।এই ‘মারপ্যাঁচ’ একেবারেই নতুন নয়।অতীতে কংগ্রেস শাসনকালেও তরুণ গগৈ-সন্তোষমোহন দেব দ্বৈরথে একটা সময় শিলচরের উন্নয়ন কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বিজেপির কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ ‘অপ্রত্যাশিত’ বলে মনে করেন দলের নিবেদিতপ্রাণ অনেকেই ।কারণ,উত্তর পূর্বাঞ্চলে বিজেপির সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠাপর্বে শিলচরই ছিল দলের শীর্ষ নেতৃত্বের একমাত্র ভরসার স্থল।
সিপিআইএম-এর নুরুল হুদা ,বিজেপির কবীন্দ্র পুরকায়স্থ,কংগ্রেসের সন্তোষমোহন দেব ; প্রভাবশালী তিনজনই সমসাময়িক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব,যাঁরা শিলচরকে ভিত্তি করে রাজনীতি করে গিয়েছেন।গত শতাব্দীর সত্তর দশকের মধ্য পর্ব থেকে একটু আগে-পরে,তিরিশ – পঁয়তিরিশ বছর ধরে এখানকার রাজনীতিকে তাঁরা আলোড়িত করে গিয়েছেন।স্ব স্ব দলে জাতীয় স্তরে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলেন তাঁরা।কেন্দ্রে কংগ্রেস যখনই ক্ষমতায় ,তখনই মন্ত্রী ছিলেন শিলচরের সাংসদ সন্তোষমোহন দেব।১৯৮০ খ্রিস্টাব্দে লোকসভা নির্বাচনে শিলচর আসনে সন্তোষমোহন দেব যাঁকে পরাস্ত করেছিলেন , মইনুল হক চৌধুরী পত্নী সেই রশিদা হক চৌধুরীও কেন্দ্রের চৌধুরী চরণ সিং সরকারের মন্ত্রী ছিলেন।অটলবিহারী বাজপেয়ী নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রের প্রথম এনডিএ সরকারে মন্ত্রী হয়েছিলেন শিলচরের সাংসদ কবীন্দ্র পুরকায়স্থ।এক সময়কার শিলচরের সাংসদ , বিধায়ক নুরুল হুদা সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটি সহ দলের বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন।শিলচর কেন্দ্রের এক সময়কার বিধায়ক ,সন্তোষমোহন দেবের পিতা,স্বাধীনতা সংগ্রামী সতীন্দ্রমোহন দেব রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী পদে আসীন ছিলেন। দেশ স্বাধীনতা লাভের আগে থেকেই শিলচরের অনেক বরেণ্য নেতা স্বাধীনতা সংগ্রামে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে নিজেদের গৌরবোজ্জ্বল ছাপ রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন।স্বাধীনতার প্রাকপর্বে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী অরুণকুমার চন্দ ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ,বর্ণময় ব্যক্তিত্ব।স্বাধীনতার মাস চারেক আগে ১৯৪৭-এর ২৫ এপ্রিল ৪৮ বছর বয়সে অরুণকুমার চন্দের মৃত্যু এ অঞ্চলের রাজনীতিতে এক বড় বিপর্যয়।স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে শিলচরের বিধায়ক ,সাংসদের অনেকেই শাসক বা বিরোধী দলের প্রতিনিধি হিসেবে দিল্লি, শিলং, দিশপুরে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
আটতিরিশ বছরেরও বেশি হয়ে গিয়েছে ,শিলচরের কোনও বিধায়ক রাজ্য মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে শিলচরের তৎকালীন বিধায়ক জগদীশচন্দ্র চৌধুরী হিতেশ্বর শইকিয়া সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। ওই সরকারের স্থায়িত্বকাল ছিল আড়াই বছরের মতো। ১৯৮৫-তে শিলচরের কংগ্রেস বিধায়ক ছিলেন কর্ণেন্দু ভট্টাচার্য।কিন্তু , ওই সময় রাজ্যে ক্ষমতাসীন হয়েছিল অগপ সরকার। ১৯৯১ – এ ফের হিতেশ্বর শইকিয়ার নেতৃত্বে রাজ্যে শক্তিশালী সরকার গঠিত হয়েছিল। তবে ,সেই বছর শিলচরে জয়ী হয়েছিল বিজেপি।এর পর বিজেপি আরও দু’বার এখানে জয় পেয়েছিল। ১৯৯৬-এ রাজ্যে ক্ষমতাসীন হয়েছিল অগপ। ২০০১-এ কংগ্রেস।২০০৬-এ শিলচরের বিধায়ক হয়েছিলেন বীথিকা দেব। কিন্তু,তাঁর পতি সন্তোষমোহন দেব যেহেতু তখন কেন্দ্রীয় ভারী শিল্প এবং রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ দফতরের মন্ত্রী ছিলেন ,তাই প্রথমবারের বিধায়ক হিসেবে তরুণ গগৈ সরকারে তাঁর মন্ত্রিত্ব ছিল ‘দূর অস্ত।’ ২০০৯-এ সন্তোষমোহন দেব লোকসভা নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন। ২০১১ খ্রিস্টাব্দে কংগ্রেসের সুস্মিতা দেব নির্বাচনে জয়ী হলেও ২০১৪- এ তিনি লোকসভা সদস্য হয়ে গিয়েছিলেন। সেই সময়কার বিধানসভা উপনির্বাচন থেকে আজ অবধি শিলচর আসন বিজেপির কব্জায়। এই সময়ে শিলচরকে নিয়ে একাংশ বিজেপি নেতা অন্য রকম অংক কষে চলেছেন , এমন কথা শোনা যায় দলের অন্দরেই।
বিশেষজ্ঞ মহলের অভিমত ,বিজেপি সদস্য বা বিজেপি আদর্শের অনুসারী স্বচ্ছ ভাবমূর্তিসম্পূর্ণ, উচ্চশিক্ষিত, সমাজসেবী অনেকেই রয়েছেন শিলচরে ; বিধানসভায় তাঁদের কেউ দলীয় মনোনয়ন পেয়ে জয়ী হলে যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব সামলাতে পারেন। কিন্তু ,দেখা গিয়েছে ; বিজেপি শিলচরে এ ধরনের প্রার্থীকে গুরুত্ব দিতে চায় না। অধ্যাপক পার্থসারথি চন্দ, যিনি পরে গুরুচরণ কলেজের অধ্যক্ষ হয়েছিলেন ;দীর্ঘদিন বিজেপির জন্য নিবেদিতপ্রাণ থাকলেও ,শিলচরে তাঁকে মনোনয়ন বঞ্চিত করা হয়েছিল।অকৃতদার জনপ্রিয় এই ব্যক্তিত্ব ইতিমধ্যে প্রয়াত। শুধু পার্থসারথি চন্দ নন, বিজেপির প্রতি নিষ্ঠাবান আরও অনেকেই রয়েছেন ;যাঁরা দলকে দিয়েই গিয়েছেন ,পাননি কিছুই।মনোনয়ন প্রদানে দলের এই দৃষ্টিভঙ্গির জন্য এখানে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব উঠে আসেনি। আর এ জন্যেই হয়তো প্রথম বার জয়ী লক্ষ্মীপুরের বিধায়ক কৌশিক রায় অনায়াসে হিমন্তবিশ্ব শর্মা মন্ত্রিসভায় স্থান পেলেও শিলচরের বিধায়ক দীপায়ন চক্রবর্তীর নাম বিবেচনায়ও আসেনি। এ ভাবেই শাসক দলের নীল নকশায় শিলচর বিধানসভা কেন্দ্র গুরুত্বের দিক থেকে তলানিতে চলে যাচ্ছে। এ কারণেই ‘বিশ বাঁও জলে’ শিলচরের পুর নির্বাচন। এ দিকে ,প্রথম বার রাজ্যসভা সাংসদ পবিত্র মার্গেরিটাকে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে প্রথমবারের সাংসদ ,সংসদীয় রাজনীতি সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল কণাদ পুরকায়স্থকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় নেওয়া যায় ,বিজেপির ভাবনায় এটা রয়েছে কি ? এর জবাব সময়ই দেবে।
ঐতিহ্যবাহী শিলচর পুরসভায় অনেক কৃতি ,অগ্রগণ্য ব্যক্তিত্ব চেয়ারম্যানের আসন অলংকৃত করেছিলেন।১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে এখানে প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব, স্বাধীনতা সংগ্রামী, সমাজ সংস্কারক, আইনজীবী কামিনীকুমার চন্দ ; যিনি কার্যত এই শহরকে নতুন রূপ দিয়েছিলেন। এর পরও শিলচর শহরে চেয়ারম্যান হয়েছিলেন একের পর এক কৃতবিদ্য ,দায়িত্বপরায়ণ ব্যক্তিরা।
এই যে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে শিলচরে পুর নির্বাচন হলো না,আগামী বিধানসভা নির্বাচনে এর কোনও প্রভাব পড়বে কিনা; তা অবশ্যই চর্চার বিষয়।নির্বাচনী অংকে রাতারাতি অনেক কিছু ওলটপালট হয়ে যেতে দেখা যায়।এতে মূল সমস্যার কথা,বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গণদাবি চাপা পড়ে যায়।কিন্তু ,বহু দিক থেকে উপেক্ষিত শিলচর শহর তথা এই বিধানসভা কেন্দ্রকে যে ভাবে ‘রাহুর গ্রাস’ আচ্ছন্ন করেছে, তা থেকে পরিত্রাণের দিশা কি ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে পাওয়া যেতে পারে ? এর জবাব কোথায় মিলবে ? এখানকার মানুষ নিজেদের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠায় কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন ,এটাই এখন দেখার।
[প্রতিবেদনের ছবি : সিপিআইএম নেতা নুরুল হুদা (প্রয়াত), কংগ্রেস নেতা সন্তোষমোহন দেব (প্রয়াত), বিজেপি নেতা কবীন্দ্র পুরকায়স্থ।]
