বিজেপিতে মনোনয়নের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি , সংসদীয় বোর্ড থাকে। সংসদীয় বোর্ডই সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী।সংসদীয় বোর্ডের পরামর্শ বা নির্দেশ মেনে দায়িত্ব পালন করতে হয় দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটিকে ।দলের নীতি অনুযায়ী ,তৃণমূল স্তর থেকে শুরু করে মণ্ডল কমিটি, জেলা কমিটি, প্রদেশ কমিটি তথা রাজ্য নির্বাচন কমিটির মধ্যে সমন্বয় গড়ে তুলে রাজ্যস্তরে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।এর পর ,কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি ও সংসদীয় বোর্ড – এ গৃহীত হয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।মূল দায়বদ্ধতা বর্তায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির উপর।প্রার্থী বাছাইয়ে এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাপকভাবে নিরীক্ষণ করার কথা।বর্তমান বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে কোন কোন দিক থেকে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা কাজ করছে , জনগণের কী কী ক্ষোভ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে ; নিরীক্ষণে এ সব গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হয়।স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, জনসংযোগ , সামাজিক দায়বদ্ধতার মতো বিষয় গুরুত্ব পায়। সর্বোপরি বিশ্লেষণ করা হয় জয়ের সম্ভাবনা। গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের।বিশেষত, কোনও প্রত্যাশী সম্বন্ধে তাদের তীব্র আপত্তি থাকলে মনোনয়ন প্রাপ্তি খুবই কঠিন। বিশ্লেষণে “নিউজটিউজ বাংলাক্রম লাইভ” সম্পাদক শংকর দে ।

অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা বরাক উপত্যকা সফরে বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রার্থিত্বের ব্যাপারে সবুজ সংকেত দিয়ে চলেছেন। শ্রীভূমিতে এবারকার সফরে এসে শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর তাঁর বক্তব্যে একটা বার্তা উঠে এল যে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে রাতাবাড়িতে ফের দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন বর্তমান বিধায়ক বিজয় মালাকার।পর দিন শনিবার ,তিনি কাছাড় জেলায় লক্ষ্মীপুর বিধানসভা প্রসঙ্গে স্পষ্টতই জানিয়ে দেন যে ,মন্ত্রী কৌশিক রায় ছাড়া সেখানে ‌অন্য কারও নাম ভাবনায়ই নেই। এর আগের বার শ্রীভূমিতে এসে হিমন্তবিশ্ব শর্মা পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিয়েছিলেন ,পাথারকান্দির বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পালের দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তি ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে নিশ্চিত। এর ফলে দেখা যাচ্ছে ,বরাকে তেরোটি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে তিনটিতে বর্তমান তিন বিধায়কের আবার মনোনয়ন নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই । এই সূত্র ধরেই বিভিন্ন পর্যবেক্ষক মহল তো বটেই ; বিজেপির অন্দরেও প্রশ্ন উঠেছে যে, এ ভাবে কি হিমন্তবিশ্ব শর্মা পর্যায়ক্রমে বরাক সফরে এসে আগেভাগে এক এক করে কার্যত তেরোটি বিধানসভা কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে যাবেন ? তিনটি কেন্দ্রে বর্তমান তিন বিধায়ককে সবুজ সংকেত দেওয়ার পর, বিজেপির অবশিষ্ট তিন কেন্দ্র শিলচর , উধারবন্দ , ধলাইয়ে নতুন প্রার্থীর সন্ধানে রয়েছেন হিমন্তবিশ্ব শর্মা , কোনও কোনও দায়িত্বশীল মহল থেকে এমনটা মনে করা হচ্ছে।এই সমীকরণ থেকে দেখা যাচ্ছে ,ছাব্বিশের নির্বাচনে শিলচরের বিধায়ক দীপায়ন চক্রবর্তী, উধারবন্দের বিধায়ক মিহিরকান্তি সোম ,ধলাইয়ের বিধায়ক নীহাররঞ্জন দাসের ফের মনোনয়নের বিষয়টি গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। এই তিন কেন্দ্রে নতুন মুখ আনার সম্ভাবনা ক্রমশ প্রকট হচ্ছে।

হিমন্তবিশ্ব শর্মা ইতিমধ্যে দলে অসীম ক্ষমতাধর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি যা বলেন, তা-ই হবে ,তাঁর মুখ থেকে যে কথা বের হয়; সেটাই সবাইকে মানতে হবে, এই ধারণা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে বিধানসভা নির্বাচনে মনোনয়ন প্রদানে হিমন্তবিশ্ব শর্মা সম্পূর্ণ পছন্দের প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রদানে সক্ষম না হলেও একুশের নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের রাশ ছিল তাঁর হাতে।তবে এর মধ্যেও কিছু ‘অপছন্দের ‘প্রার্থীকে পরিস্থিতি বিবেচনায় মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি । এ বার প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। দলে তাঁর একাধিপত্য কায়েম হয়েছে।বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব হিমন্তবিশ্ব শর্মার যে কোনও সিদ্ধান্তকেই অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। এই আবহে একে একে পছন্দের প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়ে প্রকারান্তরে বিজেপি রাজ্য কমিটিকেই তিনি চাপে ফেলে দিচ্ছেন। শুধু রাজ্য কমিটিই নয় ,এতে বিপাকে পড়ছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়ালও।সর্বানন্দ সনোয়াল দলে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি এবং পার্লামেন্টারি বোর্ড ;দুই কমিটিরই সদস্য। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে অসমে বিজেপি প্রত্যাশী অনেকেই মনোনয়ন লাভের জন্য সর্বানন্দ সনোয়ালের উপর ভরসা করে আছেন।যেহেতু তিনি দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি এবং পার্লামেন্টারি বোর্ড ; দুটোরই সদস্য ,তাই মনোনয়ন সংক্রান্ত সব বিষয়ে তিনি সম্যকভাবে অবহিত থাকবেন।অন্যদের সঙ্গে তাঁর অনুমোদন সাপেক্ষেই প্রার্থিত্ব চূড়ান্ত হবে। এখানেই প্রশ্ন হলো, সর্বানন্দ সনোয়াল কি দলীয় প্রার্থী চয়নে হিমন্তবিশ্ব শর্মার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিজের অভিমতের প্রতিফলন ঘটাতে পারবেন ?

এই মুহূর্তে ভারতীয় জনতা পার্টি দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল ।বিভিন্ন স্তরের প্রতিটি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাই করতে তাদের নির্দিষ্ট নীতিনিয়ম রয়েছে নিশ্চিতভাবেই। অন্তত অতীতে এটা দেখা গিয়েছে যে ,একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়েই মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে থেকে যোগ্যতরকে প্রার্থিত্ব প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু, সাম্প্রতিককাল দলীয় বিভিন্ন স্তরের কমিটি থেকে ব্যক্তি বিশেষের ইচ্ছা-অনিচ্ছা বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রার্থী চয়নে নানা পর্যায়ে দলের যে ‘সার্ভে’ করার কথা বলা হয় ,সেটার গুরুত্ব কতটুকু , তা-ও বোঝা যাচ্ছে না।মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় দলীয় পর্যবেক্ষকের বিষয়টি যথেষ্ট গৌণ হয়ে পড়েছে । একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিলচরে বিজেপির পর্যবেক্ষক হিসেবে এসেছিলেন দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা অজয় জামওয়াল।প্রাতর্ভ্রমণে শহর শিলচরে বেরিয়ে তিনি সর্বত্র দেখতে পান, বিধানসভায় মনোনয়ন প্রত্যাশী দীপায়ন চক্রবর্তীর অসংখ্য ‘হোর্ডিং ‘। এটা দেখে দেখে এক সময় তাঁর ধৈর্যচ্যুতি ঘটে। তাঁকে যিনি সঙ্গ দিচ্ছিলেন তাঁকে বলেন , “বিজেপির মতো সংগঠনে এ ভাবে ব্যক্তিসর্বস্ব প্রচার কোনও অবস্থায় মেনে নেওয়া যায় না ।দিল্লি গিয়ে আমি এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করব।” ওই খবর দীপায়ন চক্রবর্তীর কাছে পৌঁছেছিল ।তিনি তখন এ সব কথায় ভ্রূক্ষেপ না করে ঘনিষ্ঠদের গভীর আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছিলেন ,’এ সব কথা গুরুত্বহীন , মূল জায়গা থেকে আমাকে বলা হয়েছে এ ভাবে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা করতে ।’ পর্যবেক্ষকের কথায় কিছু যায় আসে না, একুশের মনোনয়ন প্রদানে ‌এ কথা যথার্থ প্রমাণিত হয়েছিল। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছিল , রাজ্যের মন্ত্রী নন্দিতা গ‌রলোসা এবং তৎকালীন অন্যতম রাজ্য সহ-সভাপতি জয়ন্তকুমার দাসকে যে দিন পর্যবেক্ষক হিসেবে গুয়াহাটি থেকে শিলচর পাঠানো হয়েছিল, সেই রাতে দিল্লি থেকে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। এটা থেকে স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে, পর্যবেক্ষক পাঠানোর ব্যাপারটি ছিল নেহাতই কাগজ পত্রে ,দলীয় নিয়ম রক্ষা মাত্র।

এ দিকে , আগেকার বিজেপি প্রদেশ সভাপতি ভবেশ কলিতা ছিলেন হিমন্তবিশ্ব শর্মার অত্যন্ত কাছের। ভবেশ কলিতা ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দ থেকে বিজেপিতে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। এর আগে দলের বহু গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন । তবে ,রাজ্য সভাপতি হিসেবে তাঁর সঙ্গে হিমন্তবিশ্ব শর্মার কোনও বিষয়েই তেমন মতানৈক্য হয়নি। কিন্তু ,এখন এরই মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে ,‌‌ছাব্বিশের মনোনয়ন পর্বে হিমন্তবিশ্ব শর্মার ‘মুখনিঃসৃত বাণী’ – ই কি শেষ কথা হবে? বিজেপি প্রদেশ সভাপতি দিলীপ শইকিয়া কি বিনা বাক্যব্যয়ে হিমন্তবিশ্ব শর্মা গৃহীত যাবতীয় সিদ্ধান্ত মাথা পেতে মেনে নেবেন ? দিলীপ শইকিয়া আজীবন বিজেপি রাজনীতি করে আসছেন।রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সঙ্গে যুক্ত হন ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে ,বাল্যকাল থেকেই ।অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে ছাত্র রাজনীতি করেছেন । ১৯৯১ থেকে প্রায় পঁয়তিরিশ বছর ধরে সক্রিয় রয়েছেন বিজেপিতে। দু’বারের লোকসভার সদস্য। এ বার নবগঠিত দরং- উদালগুড়ি কেন্দ্র থেকে। আগের বার মঙ্গলদৈ লোকসভা আসন থেকে। ছিলেন বিজেপি রাষ্ট্রীয় সাধারণ সম্পাদক । তাঁর প্রতি সর্বভারতীয় বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের গভীর আস্থা রয়েছে , এটাও দেখা যায়।ছাব্বিশের প্রার্থী রা‌‌ছাইকে ঘিরে তাঁর যে নিজস্ব পরিকল্পনা থাকবে, এটা স্বাভাবিক। বিধানসভায় মনোনয়ন প্রত্যাশী অনেকেই যেমন হিমন্তবিশ্ব শর্মার কৃপাপ্রার্থী, তেমনি দিলীপ শইকিয়ার কাছে তদ্বির করছেন অনেকে । প্রাথমিকভাবে ঘটনাপ্রবাহ যে দিকে মোড় নিচ্ছে, তাতে দেখা যাচ্ছে ; বহু আসনেই দু’জনের পছন্দ এক নয় ; বরং ভিন্ন হতে পারে। এ ছাড়া, সর্বানন্দ সনোয়ালের বিশেষ ভূমিকা তো থাকবেই।সমস্যার প্রেক্ষাপট সেখানেই। বিধানসভায় বিজেপির মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা দিন দিন হু হু করে বাড়ছে। সেখান থেকে প্রার্থী বাছাই করা খুবই কঠিন কাজ। সাম্প্রতিককালে বিজেপির প্রার্থী প্রক্রিয়া ধোঁয়াশার মধ্যেই থেকে যায়। আগে যে ভাবে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র নিয়ে, বিভিন্নভাবে নিরীক্ষণ করে মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হতো, সাম্প্রতিককাল এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। দলে মনোনয়ন পর্বে আনুগত্য তথা ব্যক্তি পছন্দের ব্যাপারটি মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়।

বিজেপিতে মনোনয়নের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি , সংসদীয় বোর্ড থাকে। সংসদীয় বোর্ডই সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। সংসদীয় বোর্ডের পরামর্শ বা নির্দেশ মেনে দায়িত্ব পালন করতে হয় দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটিকে। দলের নীতি অনুযায়ী, তৃণমূল স্তর থেকে শুরু করে মণ্ডল কমিটি , জেলা কমিটি , প্রদেশ কমিটি তথা রাজ্য নির্বাচন কমিটির মধ্যে সমন্বয় গড়ে তুলে রাজ্যস্তরে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।এর পর , কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি ও সংসদীয় বোর্ড – এ গৃহীত হয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। মূল দায়বদ্ধতা বর্তায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির উপর।প্রার্থী বাছাইয়ে এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাপকভাবে নিরীক্ষণ করার কথা। বর্তমান বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে কোন কোন দিক থেকে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা কাজ করছে , জনগণের কী কী ক্ষোভ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে ; নিরীক্ষণে এ সব গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হয়।স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, জনসংযোগ , সামাজিক দায়বদ্ধতার মতো বিষয় গুরুত্ব পায়। সর্বোপরি বিশ্লেষণ করা হয় জয়ের সম্ভাবনা। গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের। বিশেষত, কোনও প্রত্যাশী সম্বন্ধে তাদের তীব্র আপত্তি থাকলে মনোনয়ন প্রাপ্তি খুবই কঠিন।

অবস্থা যখন এই পর্যায়ে; তখন দেখা যাচ্ছে , অসমে বিজেপির ক্ষমতার বলয়ে হিমন্তবিশ্ব শর্মার পাশাপাশি রয়েছেন সর্বানন্দ সনোয়াল এবং দিলীপ শইকিয়া। মনে করা হচ্ছে , সর্বানন্দ সোনোয়াল এবং দিলীপ শইকিয়ার দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে একটা গভীর সাযুজ্য রয়েছে । এই পরিস্থিতিতে ছাব্বিশের দলীয় প্রার্থী তালিকা তৈরিতে হিমন্তবিশ্ব শর্মা সর্বৈব ক্ষমতা প্রদর্শন করতে পারবেন কি, এটা বিশেষ চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

[প্রতিবেদনের ছবি : সর্বানন্দ সনোয়াল, হিমন্তবিশ্ব শর্মা, দিলীপ শইকিয়া।]

Shankar Dey

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *